সর্বশেষ:
ঢাকা, ডিসেম্বর ৪, ২০২১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৮

cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে
সোমবার ● ৩০ মার্চ ২০২০
প্রথম পাতা » মহাজাগতিক পথচলা » ২০১৯ সাল : কারেন কেসকুলা ইহলেনবেক
প্রথম পাতা » ২০১৯ সাল : কারেন কেসকুলা ইহলেনবেক
১৬৪ বার পঠিত
সোমবার ● ৩০ মার্চ ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

২০১৯ সাল : কারেন কেসকুলা ইহলেনবেক

জ্যামিতিক বিশ্লেষণ এবং গজ থিওরির উপর অনবদ্য কাজের জন্য ২০১৯ সালের অ্যাবেল পুরস্কার লাভ করেছেন কারেন কেসকুলা ইহলেনবেক
জ্যামিতিক বিশ্লেষণ এবং গজ থিওরির উপর অনবদ্য কাজের জন্য ২০১৯ সালের অ্যাবেল পুরস্কার লাভ করেছেন আমেরিকার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর কারেন কেসকুলা ইহলেনবেক। অ্যাবেল পুরস্কার প্রবর্তনের পর তিনিই প্রথম নারী গণিতবিদ হিসেবে এই সম্মানে ভূষিত হলেন। ইহলেনবেকের গবেষণা সাবানের বুদবুদের মতো সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বস্তর উপরিতলের ন্যূনতম ক্ষেত্রফল এবং বহু মাত্রায় আরও অনেক ক্ষুদ্রতম বস্তুর ক্ষেত্রফল সহজভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে।

দৈর্ঘ্য, প্রস্থ আর উচ্চতা আর সময় নিয়ে চার মাত্রার বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। কিন্তু এর বাইরেও ব্রহ্মাণ্ডের আরও মাত্রা রয়েছে। চার মাত্রার ব্রহ্মাণ্ডে সাবানের ফেনার চেহারাটা সকলের জানা, কিন্তু বহুমাত্রিক ব্রহ্মাণ্ডে কেমন তা আমাদের জানা নেই। কারেনই প্রথম সেই উপায় দেখিয়েছেন। সমতলে সবচেয়ে কাছাকাছি থাকা দু’টি বিন্দুকে যোগ করা হয় একটি সরলরেখা দিয়ে। আর সেটা যদি পৃথিবীর উপর কোনও বিন্দু হয়, তা হলে সেই সরলরেখাটা হয়ে যাবে একটা বৃত্তের ব্যাস। এটা ঘটে থাকে দ্বিমাত্রিক ক্ষেত্রে। তবে সাবানের ফেনা বা বুদবুদের ক্ষেত্রে সেটা ত্রিমাত্রিক হয়ে যায়। আর তখনই দেখা দেয় নানা জটিলতা। এভাবে মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে বাড়ে জটিলতা। কারেন দেখিয়েছেন পৃষ্ঠটানের বলকে যতোটা সম্ভব কম করতে সাবানের ফেনা বা বুদবুদ একটা গোলকের চেহারা নেয়। অস্তিত্ব বজায় রাখতে একটি নির্দিষ্ট আয়তনে সবচেয়ে কম জায়গা নিতে পারে সাবানের ফেনাটি। কিন্তু সেই সাবানের ফেনার গায়ে যখন চারপাশ থেকে আরও কয়েকটি সাবানের ফেনা এসে ধাক্কা মারে, তখনই ঘটে বিপত্তি। ধাক্কা খেয়ে প্রথম সাবানের ফেনাটির চেহারায় ব্যাপক অদলবদল ঘটে যায়। এই অবস্থায়ও সে তার অস্তিত্বের জন্য সামান্য জায়গাটুকুকেই ধরে রাখার চেষ্টা করে।

কারেন উলেনবেকের জন্ম ১৯৪২ সালের ২৪ আগস্ট আমেরিকার ওহায়োর ক্লিভল্যান্ডে। ছোটবেলা থেকেই বই পড়তে ভালোবাসতেন। সেখান থেকেই পদার্থ বিদ্যা ও গণিতের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়। মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যায় অনার্স, আমেরিকার ব্র্যান্ডাইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অঙ্কে মাস্টার্স ও ১৯৬৮ সালে ডক্টরেট করেন। তবে এতকিছু করেও চলার পথটি খুব একটা সহজ ছিল না। ১৯৬৫ সালে কারেন যখন ওলকে উলেনবেককে বিয়ে করেন, সেই সময় কোনো স্বামী-স্ত্রী একই বিশ্ববিদ্যালয়ে বা গবেণাগারে চাকরি করতে পারতেন না। স্ত্রীকে শিক্ষকতা বা গবেষণা ছাড়তে হত, অথবা বিবাহবিচ্ছিন্ন হতে হত একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার জন্যে। এই কারণেই কারেনকে এমআইটি ও ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় আরবানা-শ্যাম্পেন-এর শিক্ষকতা ছাড়তে হয়েছিল। পরে অস্টিনে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে অঙ্কের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। কর্মজীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সেখানেই শিক্ষকতা করে গেছেন। ইহলেনবেক বর্তমানে প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির একজন বহিরাগত রিসার্চ স্কলার।



আর্কাইভ

ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের
প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান
মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য
শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ
আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল
বামন গ্রহ সেরেসের পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতার কারণ লবণাক্ত জল
রাতের আকাশে নিওওয়াইস ধূমকেতুর বর্ণিল ছটা,আবার দেখা মিলবে ৬,৭৬৭ বছর পরে!
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০
মহাকাশে পদার্পণের নতুন ইতিহাস নাসার দুই নভোচারী নিয়ে স্পেসএক্স রকেটের মহাকাশে যাত্রা
ক্রিকেটের ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি বা বৃষ্টি আইনের যুগ্ম প্রবক্তা গণিতবিদ টনি লুইস আর নেই