সর্বশেষ:
ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮

cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে
বুধবার ● ৭ জুলাই ২০২১
প্রথম পাতা » অর্জন/সাফল্য » উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সহায়তায় বুয়েটের উদ্ভাবন: অক্সিজেট
প্রথম পাতা » অর্জন/সাফল্য » উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সহায়তায় বুয়েটের উদ্ভাবন: অক্সিজেট
২৯ বার পঠিত
বুধবার ● ৭ জুলাই ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সহায়তায় বুয়েটের উদ্ভাবন: অক্সিজেট

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত ‘অক্সিজেট’ ডিভাইস, ছবি সূত্র: BUETian - বুয়েটিয়ানবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসানের নেতৃত্বে উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য ‘অক্সিজেট’ নামের ডিভাইস উদ্ভাবিত হয়েছে। ডিভাইসটি দিয়ে হাসপাতালের সাধারণ বেডেই ৬০ লিটার পর্যন্ত হাই ফ্লো অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব।
করোনা মহামারীতে অসুস্থ্য মানুষদের অক্সিজেন অত্যাবশ্যকীয় হলেও অক্সিজেন সংকটে রোগীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আইসিইউ বা হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলার প্রয়োজন হয়। দেশের হাসপাতালগুলোর সাধারণ বেডে রোগীকে প্রতি মিনিটে সর্বোচ্চ ১৫ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন দেওয়া যায়। এর বেশি অক্সিজেনের দরকার হলে হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা লাগে অথবা আইসিইউতে নিতে হয় কিন্তু বিশেষ ওই ক্যানুলা ও আইসিইউ দুটোরই সংকট থাকায় অনেক রোগীকে পর্যাপ্ত অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হয় না।
বুয়েটের উদ্ভাবিত এই ডিভাইসটির মাধ্যমে তীব্র শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদেরও হাসপাতালের সাধারণ বেডে রেখেই উচ্চমাত্রায় অক্সিজেন-সহায়তা দেওয়া যাবে। যন্ত্রটির উৎপাদন খরচও খুব বেশি নয়। একটি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলার জন্য খরচ যেখানে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা, সেখানে বুয়েটের আবিষ্কৃত ডিভাইসটির উৎপাদন খরচ পড়বে মাত্র ২০-২৫ হাজার টাকা এবং এটি চলবে বিদ্যুৎ ছাড়াই। বাণিজ্যিক উৎপাদনে গেলে এই খরচ আরও কমে আসবে বলে মনে করেন উদ্ভাবকরা।
অক্সিজেটটে একটির জায়গায় দুটি ফ্লো-মিটার, একটি ১৫ ও আরেকটি ৫০ লিটারের ব্যবহার করা যাবে। অক্সিজেট নিম্নচাপ তৈরি করে পরিবেশ থেকে আরও বাতাস নেয়। দ্বিতীয় সংযোগে ৫০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন থাকে, যাতে প্রয়োজনে মোট ৬০ লিটার পর্যন্ত অক্সিজেন দেওয়া যায়। অক্সিজেটে ব্যবহৃত মাস্কটি নন-ভেন্টেড সিপ্যাপ মাস্ক, যা মুখের সাথে আঁটসাটভাবে আটকানো থাকে। এর সাথে একটি পিপ ভালভ যুক্ত করে রোগীর জন্য অক্সিজেনের চাপ কত হবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
সহকারী অধ্যাপক ড. তওফিক হাসানের নেতৃত্বে আরও ছিলেন তাঁর চার ছাত্র মীমনুর রশিদ, ফারহান মুহিব, কায়সার আহমেদ ও কাওসার আহমেদ। পরে বিভিন্ন পর্যায়ে তাঁদের সহযোগিতা করেন জৈবচিকিৎসা প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ তারিক আরাফাত, সহকারী অধ্যাপক জাহিদ ফেরদৌস ও সাঈদুর রহমান।





আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)
ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের
প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান
মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য
শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ
আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল
বামন গ্রহ সেরেসের পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতার কারণ লবণাক্ত জল
রাতের আকাশে নিওওয়াইস ধূমকেতুর বর্ণিল ছটা,আবার দেখা মিলবে ৬,৭৬৭ বছর পরে!
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০
মহাকাশে পদার্পণের নতুন ইতিহাস নাসার দুই নভোচারী নিয়ে স্পেসএক্স রকেটের মহাকাশে যাত্রা
ক্রিকেটের ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি বা বৃষ্টি আইনের যুগ্ম প্রবক্তা গণিতবিদ টনি লুইস আর নেই