সর্বশেষ:
ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে
শুক্রবার ● ২৭ মার্চ ২০২০
প্রথম পাতা » করোনাভাইরাস » করোনাভাইরাস কি
প্রথম পাতা » করোনাভাইরাস » করোনাভাইরাস কি
২৩৫ বার পঠিত
শুক্রবার ● ২৭ মার্চ ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

করোনাভাইরাস কি

ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে করোনাভাইরাস
করোনাভাইরাস রাইবোভিরিয়া পর্বের নিডোভাইরালস বর্গের করোনাভিরিডি পরিবার অন্তর্ভুক্ত। ‘করোনাভাইরাস’ শব্দটি ল্যাটিন ভাষায় ‘করোনা’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ‘মুকুট’ বা ‘পুষ্পস্তবক’। ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের নিচে ভাইরাসকে অনেকটা রাজার মাথার মুকুটের (স্পাইকড রিং) মতন দেখায়, একারণে এর নামকরণ করা হয়েছে করোনা।
করোনাভাইরাসগুলিতে আচ্ছাদনের মধ্যে রাইবো-নিউক্লিক অ্যাসিড বা আরএনএ’র একক তন্তু রয়েছে। অন্যান্য ভাইরাসের মতোই করোনাভাইরাস জীবনধারণ ও বংশবৃদ্ধির জন্য অপর প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষের উপর নির্ভরশীল। করোনাভাইরাসের সবচেয়ে বাইরের অংশে রয়েছে গ্লাইকোপ্রোটিনের কাঁটা বা স্পাইক, এদের সাহায্যে ভাইরাসটি জীবন্ত কোষে আটকে যায়। এভাবে এরা অন্য জীবন্ত কোষের ভেতরে প্রবেশ করে আরএনএ’র প্রতিলিপি তৈরি করে বংশ বিস্তার করে। করোনাভাইরাসের তৃতীয় উপাদানটা হল একটি লিপিড স্তর, যা ভাইরাসের অন্যান্য অংশকে ধরে রাখে।
সাধারণত পশুপাখি এবং গৃহপালিত পোষা প্রাণী থেকে শুরু করে বাদুড়ের মতো বন্যপ্রাণীর মধ্যে এই ধরণের ভাইরাস পাওয়া যায়। এরা সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে জ্বর, শ্বাসযন্ত্রের অসুস্থতা এবং ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, ফলে নিউমোনিয়া এবং এমনকি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
করোনাভাইরাসের অনেকগুলো প্রজাতির মধ্যে মাত্র সাতটা প্রজাতি মানুষের দেহে রোগ সংক্রমণ করতে পারে। এদের চারটি প্রজাতি সাধারণ ঠান্ডাজনিত রোগ সৃষ্টি করে। এরা হলো:
১. এইচকোভ-২২৯ই (HCoV-229E)
২. এইচকোভ-ওসি৪৩ (HCoV-OC43)
৩. এইচকোভ-এনএল৬৩ (HCoV-NL63)
৪. এইচকেইউ১ (HKU1)
এছাড়া অন্য তিনটি প্রজাতির ভাইরাস মানবদেহে জটিল রোগের সৃষ্টি করে। এরা হলো:
৫. মধ্যপ্রাচ্যের শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণজনিত করোনাভাইরাস বা মার্স কভ (Middle East respiratory syndrome-related coronavirus বা MERS-CoV)। এটি নভেল করোনাভাইরাস ২০১২ বা HCoV-EMC হিসেবে পরিচিত।
৬. অতি তীব্র শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণজনিত করোনাভাইরাস বা সার্স কভ (Severe acute respiratory syndrome coronavirus বা SARS-CoV)
৭. অতি তীব্র শ্বাসযন্ত্রের লক্ষণজনিত করোনাভাইরাস ২ বা সার্স কভ-২ (Severe acute respiratory syndrome coronavirus 2 বা SARS-CoV-2)। এটিই বর্তমানে ২০১৯-কোভি বা নোভেল করোনাভাইরাস ২০১৯ হিসেবে পরিচিত। এই ভাইরাসকে নভেল বা নতুন বলা হচ্ছে কারণ এই সংক্রামক ভাইরাসটা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।





আর্কাইভ

ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের
প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান
মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য
শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ
আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল
বামন গ্রহ সেরেসের পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতার কারণ লবণাক্ত জল
রাতের আকাশে নিওওয়াইস ধূমকেতুর বর্ণিল ছটা,আবার দেখা মিলবে ৬,৭৬৭ বছর পরে!
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০
মহাকাশে পদার্পণের নতুন ইতিহাস নাসার দুই নভোচারী নিয়ে স্পেসএক্স রকেটের মহাকাশে যাত্রা
ক্রিকেটের ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি বা বৃষ্টি আইনের যুগ্ম প্রবক্তা গণিতবিদ টনি লুইস আর নেই