সর্বশেষ:
ঢাকা, ডিসেম্বর ৪, ২০২১, ২০ অগ্রহায়ন ১৪২৮

cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে
রবিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০১১
প্রথম পাতা » চাঁদে অভিযান » চাঁদে পরিচালিত বিভিন্ন মিশন
প্রথম পাতা » চাঁদে অভিযান » চাঁদে পরিচালিত বিভিন্ন মিশন
৩৪০ বার পঠিত
রবিবার ● ১৩ নভেম্বর ২০১১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

চাঁদে পরিচালিত বিভিন্ন মিশন

Pioneer 0
Pioneer 0; উৎক্ষেপণ: ১৭ আগস্ট, ১৯৫৮

 

চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৭ আগস্ট, ১৯৫৮
চাঁদে অভিযান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম পদক্ষেপ ছিল এটি। কিন্তু উৎক্ষেপণের মাত্র ৭৭ সেকেন্ড পরেই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়।

 

Luna 1958A
Luna 1958A; উৎক্ষেপণ: ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮

 

চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের পরপরই মহাকাশযান বহনকারী রকেটটি বিস্ফোরিত হয়।

 

Pioneer 1
Pioneer 1; উৎক্ষেপণ: ১১ অক্টোবর, ১৯৫৮

 

চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১১ অক্টোবর, ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের পরেই রকেটটি তার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে পৃথক হতে ব্যর্থ হয়, ফলে মহাকাশযানটি চান্দ্র মিশন পরিচালনায় সক্ষম হয়নি। তবে ১২ অক্টোবর, ১৯৫৮ তারিখে পৃথিবীর বায়ৃমন্ডলে প্রবেশের পূর্বেই এটি ভ্যান অ্যালেন তেজস্ক্রিয় এলাকা (Van Allen radiation belt) এবং বাযুমন্ডলে ছড়িয়ে থাকা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বস্তুকনা সম্পর্কে তথ্য পাঠাতে সক্ষম হয়।

 

Luna 1958B
Luna 1958B; উৎক্ষেপণ: ১২ অক্টোবর, ১৯৫৮

 

চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১২ অক্টোবর, ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের পরপরই মহাকাশযান বহনকারী রকেটটি বিস্ফোরিত হয়। Pioneer 1 উৎক্ষেপণের মাত্র ঘন্টাখানেক বাদে Luna 1958B উৎক্ষেপণ করা হয়।

 

Pioneer 2
Pioneer 2; উৎক্ষেপণ: ৮ নভেম্বর, ১৯৫৮

 

চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৮ নভেম্বর, ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের দ্বিতীয় ধাপে রকেটটি প্রজ্জ্বলনে ব্যর্থ হওয়ায় মহাকাশযানটি চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছতে পারেনি এবং পৃথিবীতে ফিরে আসে।

 

Luna 1958C
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের পরে প্রথম ধাপেই রকেটটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

 

Pioneer 3
Pioneer 3; উৎক্ষেপণ: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৮

 

চাঁদের তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ মহাকাশ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৫৮
উৎক্ষেপণের পর প্রথম ধাপেই রকেটটি বন্ধ হয়ে যায়, ফলে মহাকাশযানটি বিধ্বস্ত হয়।

 

Luna 1
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২ জানুয়ারি, ১৯৫৯
মহাকাশযানটি চাঁদে না পৌঁছে সৌর কক্ষপথে চলে যায়। তারপরেও এটি কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্য সরবরাহ করেছিল যখন এটি পৃথিবী থেকে ৭০,০০০ মাইল দূরের সোডিয়াম বাষ্পের মেঘ অতিক্রম করে, যা বিজ্ঞানীদেরকে আন্তঃগ্রহীয় গ্যাস সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

Luna 1959A
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৮ জুন, ১৯৫৯
রকেকটির নির্দেশনা সিস্টেম অকার্যকর হয়ে পড়ায় মহাকাশযানটি পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছতে পারেনি।

 

Pioneer 4
চাঁদের তথ্য সংগ্রহে সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৩ মার্চ, ১৯৫৯
Pioneer 4 চাঁদের ৬০,০০০ কিলোমিটার (৩৭,৩০০ মাইল) উপর দিয়ে অতিক্রম করে এবং চাঁদের তেজস্ক্রিয়তার সীমা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। পরে এটি সৌর কক্ষপথে প্রবেশ করে।

 

Luna 2
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯
অবতরণ: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯
Luna 2 ছিল প্রথম মহাকাশযান যা বহির্জাগতিক কোন স্থানে অবতরণে সক্ষম হয়। Aristides, Archimedes এবং Autolycus ক্র্যাটারের নিকটবর্তী Sea of Serenity এর পূর্ব প্রান্তে চাঁদের পৃষ্ঠদেশে এটি অবতরণ করে। তবে এটি চাঁদের কোন চৌম্বকক্ষেত্রের সন্ধান লাভ করতে পারেনি।

 

Luna 3
চাঁদের তথ্য সংগ্রহে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৪ অক্টোবর, ১৯৫৯
Luna 3 মহাকাশযানের মাধ্যমে প্রথমবারের মত চাঁদের উল্টোপাশের ছবি তোলা সম্ভব হয়। পুনরায় এটি ২০ এপ্রিল, ১৯৬০ তারিখে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে।

 

Pioneer P-3
চাঁদের তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ মহাকাশ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৬ নভেম্বর, ১৯৫৯
উৎক্ষেপণের ৪৫ সেকেন্ড পর রকেটের সাথে সংযুক্ত মহাকাশযান সুরক্ষাকারী আচ্ছাদনটি ভেঙ্গে যায়। ফলে এটি পৃথিবীতে বিধ্বস্ত হয়।

 

Ranger 1
পৃথিবীর কক্ষপথ পরীক্ষাকারী যান, আংশিক সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৩ আগস্ট, ১৯৬১
এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নকশাকৃত প্রথম মহাকাশযান, যা চাঁদে অভিযানের পূর্বে পৃথিবীর চারিদিকে মহাকাশযানের সাময়িক কক্ষপথ এর সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হয়। মহাকাশযানের সাময়িক কক্ষপথ প্রকৌশলীদের কিছু সময় দিতে পারে আরও সঠিক ভাবে চাঁদে মিশন পরিচালনার জন্য। Ranger 1 এর ইঞ্জিন পুনরায় প্রজ্জ্বলনের সময় পুড়ে বন্ধ হয়ে যায় এবং পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে ফিরে আসে।

 

Ranger 2
পৃথিবীর কক্ষপথ পরীক্ষাকারী যান, ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৮ নভেম্বর, ১৯৬১
Ranger 2, Ranger 1 এর মতই নকশা করা হয়েছিল মহাকাশযানের সাময়িক কক্ষপথ এর সম্ভাব্যতা পরীক্ষা করার জন্য। কিন্তু মহাকাশযানটি পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্ম এলাকায় প্রবেশের পর রকেটের ইঞ্জিন পুনরায় প্রজ্জ্বলনে ব্যর্থ হয়ে পড়ে। উৎক্ষেপণের দুই দিন পরেই মহাকাশযানটি পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে পুড়ে যায়।

 

Ranger 3
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৬ জানুয়ারি, ১৯৬২
চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণের পূর্বে চাঁদের খুব কাছ থেকে ছবি তোলার জন্য এর নকশা করা হয়েছিল। কিন্তু এটি ব্যর্থ হয়।

 

Ranger 4
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৩ এপ্রিল, ১৯৬২
অবতরণ: ২৬ এপ্রিল, ১৯৬২
সফল উৎক্ষেপণের পর কিছু যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে মহাকাশযানটির সাথে যোগাযোগ অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু প্রকৌশলীরা চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটিকে অনুসরণ করতে সক্ষম হন। যদিও মহাকাশযানটির মাধ্যমে কোন তথ্য সংগ্রহ করা যায় নি।

 

Ranger 5
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৮ অক্টোবর, ১৯৬২
উৎক্ষেপণের কিছু পরেই এর একটি সোলার সেল নষ্ট হয়ে যায়। ফলে বৈদ্যুতিক সংযাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় প্রকৌশলীরা পৃথিবী থেকে এটি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন।

 

Sputnik 25
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৩
সফল উৎক্ষেপণের পরেও এটি পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয় এব্ং একদিন পরে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশের সময় পুড়ে যায়।

 

Luna 4
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২ এপ্রিল, ১৯৬৩, ০৮:০৪:০০ UT
সোভিয়েত রাশিয়ার দ্বিতীয় প্রজন্মের চান্দ্র অভিযানের প্রথম মিশন ছিল এটি। ধারণা করা হয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ সিস্টেমের সমস্যার কারণে চাঁদ থেকে ৮,৪০০ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় এর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছন্ন হয়ে যায়।

 

Ranger 6
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৩০ জানুয়ারি, ১৯৬৪
চাঁদে অবতরণ: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৪
Ranger 6 এর নকশা করা হয়েছিল চাঁদের ছবি তোলার জন্য। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি চাঁদের Mare Tranquillitatis (Sea of Tranquility) এলাকায় বিধ্বস্ত হয় এবং কোন ভিডিও ফুটেজ বা ছবি পাঠাতে ব্যর্থ হয়।

 

Ranger 7
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৮ জুলাই, ১৯৬৪
চাঁদে অবতরণ: ৩১ জুলাই, ১৯৬৪
Ranger 7 সফলভাবে উচ্চমানের ৪,৩০৮ টি ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়। যদিও এটি চাঁদের Sea of Clouds এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

 

Ranger 8
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫
চাঁদে অবতরণ: ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৫
Ranger 8 সফলভাবে উচ্চমানের ৭,১০০ টি ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়। এটি চাঁদের Sea of Tranquility এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

 

Ranger 9
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২১ মার্চ, ১৯৬৫
Ranger 9 সফলভাবে উচ্চমানের ৫,৮০০ টি ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়। এটি চাঁদের crater Alphonsus -এ বিধ্বস্ত হয়।

 

Luna 5
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৯ মে, ১৯৬৫
চাঁদে অবতরণ: ১২ মে, ১৯৬৫
এই মিশনের মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠে হালকাভাবে অবতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়। Luna 5 এর রেট্রো-রকেট প্রজ্জ্বলেনে ব্যর্থ হওয়ায় এটি চাঁদের Sea of Clouds এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

 

Luna 6
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৮ জুন, ১৯৬৫
এটি চাঁদের কক্ষপথ ছেড়ে বাইরে চলে যায়।

 

Zond 3
চাঁদের তথ্য সংগ্রহে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৮ জুলাই, ১৯৬৫
Zond 3 সফলভাবে চাঁদের ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়।

 

Luna 7
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৪ অক্টোবর, ১৯৬৫
চাঁদে অবতরণ: ৭ অক্টোবর, ১৯৬৫
চাঁদের ক্র্যাটার Kepler এর পশ্চিমে Ocean of Storms এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয়।

 

Luna 8
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৩ ডিসেম্বর, ১৯৬৫
চাঁদে অবতরণ: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৬৫
চাঁদের ক্র্যাটার Galilei এর পূর্বে Ocean of Storms এলাকায় এটি বিধ্বস্ত হয়।

 

Luna 9
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৩১ জানুয়ারি, ১৯৬৬
চাঁদে অবতরণ: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
Luna 9 হচ্ছে প্রথম মহাকাশযান যা বহির্জাগতিক কোন পৃষ্ঠদেশে নিয়ন্ত্রিতভাবে অবতরণে সক্ষম ছিল। এটি চাঁদের বেশ কিছু ছবি পৃথিবীতে পাঠায়।

 

Cosmos 111
চাঁদের তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১ মার্চ, ১৯৬৬
এটি চন্দ্র যাত্রায় ব্যর্থ হয়ে পুনরায় ৩ মার্চ, ১৯৬৬ ফিরে আসে।

 

Luna 10
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৩১ মার্চ, ১৯৬৬
কক্ষপথে পৌঁছে: ২ এপ্রিল, ১৯৬৬
বহির্জাগতিক কোন কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছানো মহাকাশযান হিসেবে Luna 10 প্রথম স্থানে রয়েছে। কক্ষপথে থাকা অবস্থায় এটি চাঁদের তেজস্ক্রিয়তার সীমা, মহাজাগতিক রশ্মির তীব্রতা এবং চাঁদের দূর্বল চৌম্বকক্ষেত্রের পাঠ নেয়। প্রায় দুই মাস ধরে (৩০ মে, ১৯৬৬ পর্যন্ত) ৪৬০ বার এটি চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে এবং তথ্য সরবরাহ করে।

 

Surveyor 1
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৩০ মে, ১৯৬৬
Surveyor 1 ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত চাঁদের পৃষ্ঠদেশে নিয়ন্ত্রিতভাবে অবতরণে সক্ষম প্রথম মহাকাশযান। ছয় সপ্তাহের মিশনে এটি ১১,০০০ এর বেশি ছবি পৃথিবীতে পাঠায়।Lunar

Orbiter 1
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১০ আগস্ট, ১৯৬৬
এটি সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে জায়গা করে নেয়ার পর চাঁদের পৃষ্ঠের প্রায় দুই মিলিয়ন মাইল পর্যন্ত উচ্চ মানের ছবি পৃথিবীতে পাঠায়। যার মধ্যে সম্ভাব্য এ্যাপোলো যানের অবতরণের ক্ষেত্রের ছবিও ছিল। ৭৭ দিনে এটি চাঁদকে ৫২৭ বার প্রদক্ষিণ করার পর চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হয়, যা ছিল পূর্ব নির্ধারিত। কারণ চাঁদের কক্ষপথে থেকে এ্যাপোলো অভিযানকে যাতে এটি বাধাগ্রস্থ করার সুযোগ না পায়।

Luna 11
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৪ আগস্ট, ১৯৬৬
কক্ষপথে পৌঁছে: ২৭ আগস্ট, ১৯৬৬
এই যানটিকে নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে পরীক্ষার জন্য নকশা করা হয়েছিল। যা ২৭৭ চাঁদকে প্রদক্ষিণ শেষে ১ অক্টোবর, ১৯৬৬ তারিখে মিশন শেষ করে।

Surveyor 2
চাঁদে অবতরণ ব্যর্থ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬
চাঁদে আঘাত হানে: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬
চাঁদে নামার পূর্ব মুহূর্তে এটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হয়।

Luna 12
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২২ অক্টোবর, ১৯৬৬
কক্ষপথে পৌঁছে: ২৫ অক্টোবর, ১৯৬৬
এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল চন্দ্রপৃষ্ঠের ছবি তোল এবং এটি সফলভাবে তা সম্পন্ন করে। এটি ১,১০০ ছবি তুলতে সক্ষম হয়, যার মধ্যে Sea of Rains এবং Aristarchus ক্র্যাটার অঞ্চলের ছবিও ছিল। এটি ৬০২ বার চাঁদকে প্রদক্ষিণ শেষে ১৯ জানুয়ারি, ১৯৬৭ তারিখে মিশন শেষ করে।

Lunar Orbiter 2
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৬ নভেম্বর, ১৯৬৬
এটি সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে জায়গা করে নেয়ার পর থেকে মিশনকালীন সময়ে চাঁদের ৮০০ ছবি তোলে। যার মধ্যে তির্যকভাবে তোলা Copernicus ক্র্যাটার ছবি ছিল, যেটিকে শতাব্দীর সেরা ছবি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। এটি ১১ অক্টোবর, ১৯৬৭ তারিখে পূর্ব নির্ধারিতভাবে চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হয়।

Luna 13
চাঁদের অবতরণে সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৬৬
কক্ষপথে পৌঁছে: ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৬
Luna 13 চাঁদের মাটির নমুনা সংগ্রহ করে এবং মাটির ঘনত্ব ও তেজস্ক্রিয়তা’র পরীক্ষা চালায়। এটি ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ তারিখে মিশন শেষ করে।

Lunar Orbiter 3
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭
কক্ষপথে পৌঁছে: ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৭
Lunar Orbiter 3 চাঁদে বিধ্বস্ত হওয়া Surveyor 2 এর ছবি তুলতে সক্ষম হয়। ৯ অক্টোবর, ১৯৬৭ তারিখে এটি পূর্ব নির্ধারিতভাবেই চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত করা হয়।

Surveyor 3
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৭ এপ্রিল, ১৯৬৭
চাঁদে অবতরণ: ২০ এপ্রিল, ১৯৬৭
এটি চাঁদের মাটির নমুনা সংগ্রহ করে এবং চাঁদের ৬,৩০০ এরও বেশি ছবি তোলে।

Lunar Orbiter 4
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৪ মে, ১৯৬৭
কক্ষপথে পৌঁছে: ৮ মে, ১৯৬৭
Lunar Orbiter 4 প্রথমবারের মত চাঁদের দক্ষিণ মেরুর ছবি তুলতে সক্ষম হয়। এটি চাঁদের কক্ষপথে থাকা অবস্থায় আট মাস ধরে ছবি তুলেছে। এটিও পূর্ব নির্ধারিতভাবেই চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত করা হয়।

Surveyor 4
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭
চাঁদে অবতরণ: ২০ এপ্রিল, ১৯৬৭
চাঁদের Sinus Medii অঞ্চলে অবতরণের ঠিক আড়াই মিনিট পূর্বে পৃথিবী থেকে এর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

Lunar Orbiter 5
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১ আগস্ট, ১৯৬৭
কক্ষপথে পৌঁছে: ৫ আগস্ট, ১৯৬৭
আগের পরিচালিত বিভিন্ন মিশনের তথ্য একত্রিত করে এটি চাঁদের প্রায় ৯৯ ভাগ ম্যাপ তৈরি করে। পরিকল্পনা আনুসারে ৩১ জানুয়ারি, ১৯৬৮ তারিখে চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হওয়ার মাধ্যমে এর মিশস শেষ হয়।

Surveyor 5
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৭
চাঁদে অবতরণ: ১০ এপ্রিল, ১৯৬৭
ছিদ্র দিয়ে হিলিয়াম গ্যাসের নিঃসরণের মারাত্মক ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও এটি চাঁদে সফলভাবে অবতরণ করে।

Surveyor 6
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৭ নভেম্বর, ১৯৬৭
চাঁদে অবতরণ: ৯ নভেম্বর, ১৯৬৭
চাঁদের Sinus Medii এ এটি সফলভাবে অবতরণ করে। এটি ছবি ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করে। এরপরে ১৭ নভেম্বর তারিখে পৃথিবী থেকে এটিকে নিয়ন্ত্রণ করে পুনরায় উড্ডয়ন করানো হয় এবং ৩ মিটার দূরে অবতরণ করানো হয়। তখন এটি পূর্বের অবতরণকৃত স্থানের ছবি তোলে। এই পরীক্ষাটি চালানো হয় চাঁদের পৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা লাভ করার জন্য। অর্থাৎ অবতরণের কারণে পৃষ্ঠে কোন গর্তের সৃষ্টি হয় কিনা। কিন্তু পৃষ্ঠে কোন পরিবর্তন দেখা যায় নি, এর দ্বারা ধারণা করা হয় চাঁদের পৃষ্ঠ কঠিন। ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৭ তারিখে এর সাথে পৃথিবী থেকে সর্বশেষ যোগাযোগ হয়।

Surveyor 7
সফলভাবে চাঁদে অবতরণ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৭ জানুয়ারি, ১৯৬৮
চাঁদে অবতরণ: ৯ জানুয়ারি, ১৯৬৮
চাঁদের Tycho ক্র্যাটারের কাছে এটি সফলভাবে অবতরণ করে। মহাকাশযানটির যান্ত্রিক হাতল দ্বারা চাঁদের পাথরের ওজন পরীক্ষা করা হয়। মিশনটি ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৮ তে শেষ হয়।

Luna 14
চাঁদের অবতরণে সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৭ এপ্রিল, ১৯৬৮
কক্ষপথে পৌঁছে: ১০ এপ্রিল, ১৯৬৮
এই মিশনে চাঁদের ছবি সংগ্রহ এর এর মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রের উপর গবেষণা চালানো হয়।

Zond 5
চাঁদ পরিভ্রমন এবং পুনরায় ফিরে আসা সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৮

Zond 5 পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করে চাঁদকে পরিভ্রমন শেষে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে। এটি ভারত মহাসাগরের বুকে অবতরণ করে। এটিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন গবেষণার জন্য পুনরায় সংগ্রহ করে। কর্তৃপক্ষ মিশন সম্পর্কে অতিরিক্ত কোন তথ্য প্রকাশ করেনি।

Zond 6
চাঁদ পরিভ্রমন এবং পুনরায় ফিরে আসা সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১০ নভেম্বর, ১৯৬৮
চাঁদে নভোচারী পাঠানোর জন্য সর্বশেষ পরীক্ষা হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন Zond 6 অভিযান পরিচালনা করে। পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করার দুই দিন পরে এটি চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে এবং ছবি তোলে। পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে এসে ভারত মহাসাগরের বুকে অবতরণ করে।

Apollo 8
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত মনুষ্যবাহী মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২১ ডিসেম্বর, ১৯৬৮
কক্ষপথে পৌঁছে: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৮
Frank Borman, James Lovell এবং William Anders হচ্ছেন সর্বপ্রথম নভোচারী যারা পৃথিবী ত্যাগ করে চন্দ্র ভ্রমন সম্পন্ন করেন। চাঁদকে ১০ বার প্রদক্ষিণ শেষে Apollo 8 ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৬৮ তারিখে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

Zond 1969A
চাঁদ পরিভ্রমন এবং পুনরায় ফিরে আসার ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
উৎক্ষেপণের দ্বিতীয় ধাপে রকেটটি বন্ধ হয়ে যায় এবং পৃথিবীর কক্ষপথ অতিক্রমের আগেই মিশন শেষ হয়ে যায়।

Luna 1969A
চাঁদের অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উৎক্ষেপণের কিছু সময় পরেই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়।

Zond 1S-1
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
উৎক্ষেপণের কিছু সময় পরেই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়।

Luna 1969B
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৫ এপ্রিল, ১৯৬৯
রকেটটি উৎক্ষেপণ প্যাডে থাকা অবস্থাতেই বিস্ফোরিত হয়।

Apollo 10
সফলভাবে চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত মনুষ্যবাহী মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৪ মে, ১৯৬৯
কক্ষপথে পৌঁছে: ২১ মে, ১৯৬৯
Thomas Stafford, John Young এবং Eugene Cernan নভোচারী ত্রয় চাঁদের কক্ষপথে থেকে চাঁদে অবতরণের ব্যাপারে পরীক্ষা চালান। প্রশান্ত মহাসাগরে এটি ২৬ মে, ১৯৬৯ তারিখে অবতরণ করে।
Luna 1969C
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৪ জুন, ১৯৬৯
উৎক্ষেপণের কিছু সময় পরেই রকেটটি বিস্ফোরিত হয়।

Luna 15
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৩ জুলাই, ১৯৬৯
চাঁদে মানুষের অবতরণের স্মরণীয় অভিযান Apollo 11 উৎক্ষেপণের মাত্র তিন দিন আগে গোপনীয়ভাবে এটি উৎক্ষিপ্ত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ এই মিশনের কোন উদ্দেশ্য ফাঁস করেনি। এটি কি তবে Apollo 11 এর অভিযানে কোনপ্রকার বাঁধা সৃষ্টি করতো? এমন অনেক প্রশ্ন সৃষ্টি করেছিল এই মিশন। Apollo 11 উৎক্ষেপণের ঠিক দুই ঘন্টা পূর্বে এটি চাঁদের Sea of Crisis অঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়।

Apollo 11
প্রথমবারের মত চাঁদে মানুষের অবতরণ, সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৬ জুলাই ১৯৬৯
চাঁদে পৌঁছে: ২০ জুলাই, ১৯৬৯
Michael Collins, Neil Armstrong এবং Edwin “Buzz” Aldrin নভোচারী ত্রয় এই স্মরণীয় মিশনে অংশ নেন। তারা চাঁদের বুকে বিভিন্ন পরীক্ষা চালান এবং ২০ কেজি নমুনা সংগ্রহ করেন। এটি ২৪ জুলাই, ১৯৬৯ তারিখে পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করে।

Zond 7
চাঁদ পরিভ্রমন এবং পুনরায় ফিরে আসার সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৭ আগস্ট, ১৯৬৯
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ১৪ আগস্ট, ১৯৬৯
চাঁদ পরিভ্রমন শেষে Zond 7 পৃথিবীতে ফিরে আসে। যাত্রাপথে এটি পৃথিবী এবং চাঁদের পৃষ্ঠের রঙীন ছবি তোলে।

Cosmos 300
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯
এটি পৃথিবীর কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছতে পারলেও তখন এর রকেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিশনটি ব্যর্থ হয়।

Cosmos 305
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২২ অক্টোবর, ১৯৬৯
Cosmos 300 এর মত এটিও পৃথিবীর কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছতে পারলেও তখন এর রকেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মিশনটি ব্যর্থ হয়।

Apollo 12
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৪ নভেম্বর, ১৯৬৯
চাঁদে পৌঁছে: ১৯ নভেম্বর, ১৯৬৯
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ১৪ নভেম্বর, ১৯৬৯
Richard Gordon, Charles Conrad এবং Alan Bean নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। Charles Conrad এবং Alan Bean চাঁদে অবতরণ করেন। Surveyor 3 যেখানে অবতরণ করেছিল তার থেকে পায়ে হাঁটা দূরত্বে Apollo 12 অবতরণ করে। চাঁদের পৃষ্ঠে সাড়ে একত্রিশ ঘন্টা সময় কাটিয়ে এবং ৩৪ কেজি নমুনা সাথে করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

Apollo 13
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের ব্যর্থ মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১১ এপ্রিল, ১৯৭০
James Lovell, Fred Haise এবং John Swigert নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। চাঁদের অর্ধেক দূরত্বে থাকা অবস্থায় মহাকাশযানটির সার্ভিস মডিউলে বিস্ফোরণের কারণে যাত্রা বতিল করা হয়। যাতে নভোচারীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। এই মিশনটিকে বলা হয়ে থাকে সফলভাবে ব্যর্থ মিশন, কারণ চাঁদে অভিযান ব্যর্থ হলেও নভোচারীদের জীবিত ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছিল।

Luna 16
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০
চাঁদে পৌঁছে: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭০
Luna 16 হচ্ছে চাঁদে প্রথমবারের মত পরিচালিত রোবোটিক মিশন, যা চাঁদের ধুলো ও পাথর সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসে। একইসাথে এটি প্রথম মহাকামযান যা প্রথম চাঁদের অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চলে অবতরণ করে। এটি চাঁদে ছাব্বিশ ঘন্টা কাটিয়ে ১০১ গ্রাম নমুনা সহ পৃথিবীতে ফিরে আসে।

Zond 8
চাঁদ পরিভ্রমন এবং পুনরায় ফিরে আসার সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২০ অক্টোবর, ১৯৭০
চাঁদে পৌঁছে: ২৪ অক্টোবর, ১৯৭০
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২০ অক্টোবর, ১৯৭০
চাঁদ পরিভ্রমন শেষে Zond 8 পৃথিবীতে ফিরে আসে। যাত্রাপথে এটি পৃথিবী এবং চাঁদের পৃষ্ঠের রঙীন ছবি তোলে। পৃথিবীতে ফিরে ভারত মহাসাগরে এটি অবতরণ করে।

Luna 17/Lunokhod 1
সফলভাবে পরিচালিত ‘চন্দ্র রোভার’ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১০ নভেম্বর, ১৯৭০
চাঁদে পৌঁছে: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭০
চাঁদের Sea of Rains এলাকায় এটি অবতরণ করে। দূর নিয়ন্ত্রিত রোভারটি প্রায় ১০.৫ কিলোমিটার ভ্রমন করে চাঁদের ২০,০০০ এর মতো ছবি পাঠায়। রোভারটি ৪ অক্টোবর, ১৯৭১ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

Apollo 14
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৩১ জানুয়ারি, ১৯৭১
চাঁদে পৌঁছে: ৫ ফেব্রয়ারি, ১৯৭১
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ৯ ফেব্রয়ারি, ১৯৭১
Stuart Roosa, Alan Shepard এবং Edgar Mitchell নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। এর মধ্যে Alan Shepard এবং Edgar Mitchell চাঁদে অবতরণ করেন। চাঁদের পৃষ্ঠে তেত্রিশ ঘন্টা সময় কাটিয়ে এবং ৪২ কেজি নমুনা সাথে করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

Apollo 15
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৬ জুলাই, ১৯৭১
চাঁদে পৌঁছে: ৩০ জুলাই, ১৯৭১
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ৭ আগস্ট, ১৯৭১
James Irwin, David Scott এবং Alfred Worden নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। এর মধ্যে David Scott এবং James Irwin চাঁদে অবতরণ করেন। Apollo 15-ই প্রথম অবতরণকারী যান যা চন্দ্র রোভার বহন করে নিয়ে যায়। নভোচারীরা রোভারটিকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার ভ্রমন করান। তারা চাঁদের পৃষ্ঠে ৬৭ ঘন্টা সময় কাটিয়ে এবং ৭৭ কেজি নমুনা সাথে করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

Luna 18
চাঁদে অবতরণে ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
চাঁদের কক্ষপথে ৫৪ বার প্রদক্ষিণ শেষে এটি চন্দ্রপৃষ্ঠে বিধ্বস্ত হয়।

Luna 19
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
চাঁদে পৌঁছে: ৩ অক্টোবর, ১৯৭১
Luna 19 চাঁদের পরিবেশের উপর বিভিন্ন পরীক্ষা চালায়।

Luna 20
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
চাঁদে পৌঁছে: ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
চাঁদের Sea of Fertility এর কাছে এটি অবতরণ করে। এটি অবতরণের পরে নমুনা (চাঁদের ধুলা ও পাথর) সংগ্রহ করে পরের দিনেই আবার পৃথিবীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

Apollo 16
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ১৬ এপ্রিল, ১৯৭২
চাঁদে পৌঁছে: ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২৭ এপ্রিল, ১৯৭২
Thomas Mattingly, John Young এবং Charles Duke নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। এর মধ্যে John Young এবং Charles Duke চাঁদে অবতরণ করেন। Apollo 16 একটি চন্দ্র রোভার বহন করে নিয়ে যায়। নভোচারীরা রোভারটিকে প্রায় ২৭ কিলোমিটার ভ্রমন করান। তারা চাঁদের পৃষ্ঠে ৭১ ঘন্টা সময় কাটিয়ে এবং সর্বমোট ৯৫ কেজি নমুনা সাথে করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

Soyuz L3
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৩ নভেম্বর, ১৯৭২
Soyuz L3 ছিল একটি পরীক্ষামূলক অভিযান যা একটি ক্যাপসুল বহন করে নিয়ে যায় এবং চাঁদে অবতরণের উপর পূর্ব প্রস্তুতি স্বরূপ। কিন্তু উৎক্ষেপণের নব্বুই সেকেন্ড পরই ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।
Apollo 17
চাঁদে মানুষ্যবাহী অবতরণের সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২
চাঁদে পৌঁছে: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭২
Ronald Evans, Eugene Cernan এবং Harrison Schmitt নভোচারী ত্রয় এই মিশনে অংশ নেন। এর মধ্যে Eugene Cernan এবং Harrison Schmitt চাঁদে অবতরণ করেন। Harrison Schmitt হচ্ছেন চাঁদে অবতরণ করা প্রথম ভূতত্ত্ববিদ। নভোচারীরা তাদের বহন করে নিয়ে যাওয়া রোভারটিকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ভ্রমন করান। তারা চাঁদের পৃষ্ঠে ৭৫ ঘন্টা সময় কাটিয়ে এবং সর্বমোট ৯৫ কেজি নমুনা সাথে করে তারা পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

Luna 21/Lunokhod 2
সফলভাবে পরিচালিত ‘চন্দ্র রোভার’ (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৮ জানুয়ারি, ১৯৭৩
চাঁদে পৌঁছে: ১৫ জানুয়ারি, ১৯৭৩
এই রোভারটিই সর্বপ্রথম চাঁদে অবতরণ স্থানের প্যানারমিক ছবি তুলে। রোভারটি সৌরশক্তিতে পরিচালিত হতো এবং রাতে তেজস্ক্রিয় জ্বালানীতে চলত। চার মাস স্থায়ী এই মিশনে রোভারটি ৮০,০০ বেশি টিভি ছবি পাঠায়।

Luna 22
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৯ মে, ১৯৭৪
চাঁদে পৌঁছে: ২ জুন, ১৯৭৪
মিশনটির উদ্দেশ্য ছিল চাঁদের চৌম্বক ক্ষেত্র, গামা রশ্মি বিকিরণ এবং মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রের উপর গবেষণা চালানো। মিশনটি ১৯৭৫ সালের নভেম্বর মাসে সমাপ্ত হয়।

Luna 23
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত ব্যর্থ মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭৪
৬ নভেম্বর, ১৯৭৪ এ চাঁদে অবতরণের সময় এটি বিকল হয়ে যায়, তাই কোন প্রকার নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। এটি বিকল হয়ে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত তিন দিন ধরে তথ্য আদান-প্রদান করে।

Luna 24
চাঁদের নমুনা সংগ্রহে পরিচালিত সফল মিশন (সোভিয়েত ইউনিয়ন)
উৎক্ষেপণ: ৯ আগস্ট, ১৯৭৬
চাঁদে অবতরণ: ১৮ আগস্ট, ১৯৭৬
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২২ আগস্ট, ১৯৭৬
চাঁদের Sea of Crises এর কাছে এটি অবতরণ করে। এটি অবতরণের পরে ১৭০ গ্রাম নমুনা (চাঁদের ধুলা ও পাথর) সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

Hiten/Muses A
চাঁদের বক্রপথে পরিচালিত সফল পরীক্ষা (জাপান)
উৎক্ষেপণ: ২৪ জানুয়ারি, ১৯৯০
চাঁদে অবতরণ: ১৮ আগস্ট, ১৯৭৬
পৃথিবীতে ফিরে আসে: ২২ আগস্ট, ১৯৭৬
Hiten পৃথিবীর কক্ষপথে উৎক্ষিপ্ত হয় যা চাঁদকে দশ বার অতিক্রম করে। এটি Hagoromo নামের একটি ক্ষুদ্র মহাকাশযান চাঁদের কক্ষপথের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দেয়, তবে এটি পৌঁছার পূর্বেই এর প্রেরক যন্ত্রটি বিকল হয়ে যায়। মহাকাশযানটি ১০ এপ্রিল, ১৯৯৩ তে চাঁদে বিধ্বস্ত হয়।

Clementine
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ২৫ এপ্রিল, ১৯৯৪
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ থেকে এটি উৎক্ষিপ্ত হয়, যা নতুন প্রাযুক্তিক পরীক্ষা চালানোর জন্য পাঠানো হয়। চাঁদের কক্ষপথে এটি ৭০ দিন মানচিত্র প্রনয়ণের কাজ করে। Van Allen radiation belt-এ পরীক্ষা চালানোর পরে ১৯৯৪ সালের জুনে এর জ্বালানী নিঃশেষিত হয়ে যায়।

Lunar Prospector
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
উৎক্ষেপণ: ৭ জানুয়ারি, ১৯৯৮
Lunar Prospector কে পাঠানো হয় চাঁদে পানি সহ অন্যান্য খনিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানোর জন্য। উনিশ মাসের মিশনে এটি চাঁদের পৃষ্ঠের মানচিত্র তৈরি করে। পৃথিবী থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে ১৯৯৯ সালের ৩১ জুলাই এটিকে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে বিধ্বস্ত করানো হয়, এর থেকে পর্যবেক্ষণ চালানো হয় যে এই সংঘর্ষের ফলে কোন প্রকার জ্বলীয় বাষ্পের অস্তিত্ব পাওয়া যায় কিনা, কিন্তু এ জাতীয় কিছু পরিলক্ষিত হয়নি।

SMART-1
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি)
উৎক্ষেপণ: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০০৩
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ১৫ নভেম্বর, ২০০৩
প্রাথমিক মিশন শেষ হয়: জুলাই, ২০০৫
বর্ধিত মিশন: জুলাই, ২০০৬
চাঁদে আঘাত হানে: ৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৬
ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (ESA) পরিচালত প্রথম এবং সফল মিশন ছিল SMART-1। প্রথমবারের মতো এটিতে solar-electric প্রপালশন ব্যবহৃত হয়, যা পরবর্তী অভিযান পরিচালনার জন্য প্রযুক্তিগত পরীক্ষা ছিল।

Kaguya (SELENE)
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (JAXA, জাপান)
উৎক্ষেপণ: ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৭
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ৩ অক্টোবর, ২০০৭
মিশন সমাপ্ত: ১০ জুন, ২০০৯
Kaguya মিশনটি SELENE (SELenological and ENgineering Explorer) নামেও পরিচিত। এটি তিনটি মহাকামযানের (একটি মূল অরবিটার, বাকি দুটি অপেক্ষাকৃত ছোট স্যাটেলাইট) সমন্বয়ে গঠিত, যা চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ ক্ষেত্রের মানচিত্র প্রনয়ণ করে। এটি চাঁদের টপোগ্রাফির উপর গবেষণা চালায়। এটি একটি HD টিভি ক্যামেরা বহন করে নিয়ে যায়।

Chang’e 1
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (CNSA, চীন)
উৎক্ষেপণ: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৭
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ৫ নভেম্বর, ২০০৭
চাঁদে আঘাত হানে: ১ মার্চ, ২০০৮ (08:13 UTC, at 1.5°S, 52.36°E)
Chang’e 1 হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে চীনের প্রথম মিশন, যা পরবর্তী মহাকাশ মিশনের জন্য একটি পদক্ষেপ। একইসাথে চাঁদের টপোগ্রাফিক মানচিত্র প্রনয়ণের জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়। চান্দ্র মাটির গভীরতা এবং চাঁদ ও পৃথিবীর পরিবেশেন তুলনামূলক পরীক্ষা চালায় এই যান।

Chandrayaan-1
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (ISRO, ভারত)
উৎক্ষেপণ: ২২ অক্টোবর, ২০০৮
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ৮ নভেম্বর, ২০০৮
সর্বশেষ যোগাযোগ: ২৭ আগস্ট, ২০০৯
Chandrayaan-1হচ্ছে পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে পাঠানো ভারতের প্রথম মহাকাশযান। এটি পরবর্তী মহাকাশ অভিযাত্রার জন্য ভারতের একটি পদক্ষেপ। এই মিশনের লক্ষ্য ছিল চাঁদের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর ম্যাপিং করা।

Lunar Reconnaissance Orbiter
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত মিশন (নাসা)
উৎক্ষেপণ: ১৮ জুন, ২০০৯
উৎক্ষেপক যান: Atlas 401
ভর: ১০০০ কেজি
Lunar Reconnaissance Orbiter ছিল নাসার প্রথম মিশন যা চাঁদের সমস্ত পৃষ্ঠের উচ্চ রেজুলেশনের ছবি তুলতে পাঠানো হয়েছিল, যার মাধ্যমে পরবর্তী মনুষ্যবাহী যান ও রোভার পাঠানোর সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা এর লক্ষ্য ছিল। এছাড়া এটি ছিল নাসার প্রথম Lunar Precursor and Robotic Program (LPRP) মিশন। উৎক্ষেপণের চার দিনের পর এটি চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে, কিন্তু কক্ষপথ স্থির করতে এর প্রায় চার মাস সময় লাগে। যানটি চাঁদের আশেপাশে তেজস্ক্রিয় মাত্রা নির্ধারণ, চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার তারতম্য পর্যবেক্ষণ, বরফ-পানির অস্তিত্ব অনুসন্ধান এবং উপযোগী অবতরণ স্থল অনুসন্ধানে সক্রিয় ছিল।

Chang’e 2
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (CNSA, চীন)
উৎক্ষেপণ: ১ অক্টোবর, ২০১০ (সময় 10:59:57 UT)
চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে: ৫ নভেম্বর, ২০০৭
চাঁদে আঘাত হানে: ১ মার্চ, ২০০৮ (08:13 UTC, at 1.5°S, 52.36°E)
Chang’e 2 ছিল চাঁদে চীনের দ্বিতীয় মিশন, এর লক্ষ্য ছিল চাঁদের উচ্চ রেজুলেশনের ছবি তোলা যার মাধ্যমে পরবর্তী Chang’e 3 এবং রোভার পাঠানোর মিশনের অবতরণ স্থল নির্ধারণ করা সম্ভব হয়। একই সাথে এর মাধ্যমে পরীক্ষা চালানো হয় স্বাভাবিক অবতরণের। এটি একটি CCD স্টেরিও ক্যামেরা বহন করে নিয়ে যায়।

GRAIL (The Gravity Recovery and Interior Laboratory)
চাঁদের কক্ষপথে পরিচালিত সফল মিশন (নাসা)
উৎক্ষেপণ: ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১
গ্রেইল এ ও গ্রেইল বি নামের প্রায় একই রকম দুটি যান মনুষ্যবিহীন একটি রকেটের মাধ্যমে চাঁদের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হয়। একই সঙ্গে উৎক্ষেপণ করা হলেও রোবট যান দুটি উৎক্ষেপণের এক ঘণ্টার মধ্যেই পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে চাঁদের দিকে যাত্রা করে।
এই অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে একেবারে কেন্দ্র পর্যন্ত কী ধরনের পদার্থ রয়েছে তা জানার চেষ্টা করা হবে।

 





আর্কাইভ

ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের
প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান
মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য
শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ
আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল
বামন গ্রহ সেরেসের পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতার কারণ লবণাক্ত জল
রাতের আকাশে নিওওয়াইস ধূমকেতুর বর্ণিল ছটা,আবার দেখা মিলবে ৬,৭৬৭ বছর পরে!
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০
মহাকাশে পদার্পণের নতুন ইতিহাস নাসার দুই নভোচারী নিয়ে স্পেসএক্স রকেটের মহাকাশে যাত্রা
ক্রিকেটের ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি বা বৃষ্টি আইনের যুগ্ম প্রবক্তা গণিতবিদ টনি লুইস আর নেই