সর্বশেষ:
ঢাকা, আগস্ট ১৫, ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯

cosmicculture.science: বিজ্ঞানকে জানতে ও জানাতে
বুধবার ● ৯ অক্টোবর ২০১৩
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:পদার্থবিদ্যা » পরমানুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকার ভরের উৎপত্তি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ধারণা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
প্রথম পাতা » নোবেল পুরষ্কার:পদার্থবিদ্যা » পরমানুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকার ভরের উৎপত্তি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ধারণা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
৩১৪ বার পঠিত
বুধবার ● ৯ অক্টোবর ২০১৩
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পরমানুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকার ভরের উৎপত্তি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ধারণা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার

পরমানুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকার ভরের উৎপত্তি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ধারণা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
পরমানুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কণিকার ভরের উৎপত্তি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ধারণা প্রদানের জন্য ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন যুক্তরাজ্যের পিটার ডব্লিউ. হিগস (Peter W. Higgs) এবং বেলজিয়ামের ফ্রাঙ্কোইস অ্যাংলার্ট (François Englert)।
হিগস ও অ্যাংলার্টের তত্ত্ব অনুযায়ী চার দশকেরও বেশি সময় ধরে খুঁজে বেড়ানো মহাবিশ্বের সুষ্টির সময়কালীন হিগস্-বোসন কণার অস্তিত্বের সন্ধান পাওয়া যায় ২০১২ সালে ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সার্ন) এর সুইজারল্যান্ডের গবেষণাকেন্দ্র লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে দুই দফা চালানো পরীক্ষার মাধ্যমে। এই কণাটিই মহা বিস্ফোরণের পরে মহাবিশ্বের সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। এ পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের ধারণা মতে মহা বিস্ফোরণের ঠিক পরেই সব কণিকা ছিল ভরহীন, শুধুমাত্র শক্তি হিসেবে তাদের অস্তিত্ব ছিল। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে কণিকাগুলো ভর লাভ করে। যার ধারাবাহিক পক্রিয়ার মধ্য দিয়েই আমাদের পরিচিত আজকের এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি। কাজেই হিগস্-বোসন কণার বা সদৃশ কণার অস্তিত্বের সন্ধান লাভের মাধ্যমেই ধীরে ধীরে উন্মোচিত হবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পূর্ণ রহস্য। তাই হিগস্-বোসন কণাকে আদুরে ভাষায় ঈশ্বর কণা বলেই অভিহিত করা হয়।
ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী পিটার ওয়ার হিগস্ এবং অন্যতম বাঙালী বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বোসের নাম মিলিয়ে কণাটির নাম দেওয়া হয়েছিল হিগস বোসন। এই কণাটি ১২৫.৩০ গিগাইলেক্ট্রন ভোল্টের এবং প্রোটনের চেয়ে ১৩৩ গুণ ভারি।
পিটার ডব্লিউ. হিগসফ্রাঙ্কোইস অ্যাংলার্ট১৯৩২ সালে জন্ম নেয়া ফ্রাঙ্কোইস অ্যাংলার্ট বর্তমানে বেলজিয়ামের ব্রুক্সেলেস বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত আছেন এবং ১৯২৯ সালে জন্ম নেয়া পিটার হিগস যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত রয়েছেন।

কসমিক কালচার
৮ অক্টোবর, ২০১৩

 





নোবেল পুরষ্কার:পদার্থবিদ্যা এর আরও খবর

লেজার পদার্থবিজ্ঞানে যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য ২০১৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল লেজার পদার্থবিজ্ঞানে যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য ২০১৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার জন্য ২০১৭ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার মহাকর্ষীয় তরঙ্গ নিয়ে গবেষণার জন্য ২০১৭ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার
পদার্থের আন্দোলিত অবস্থার দিশা দেওয়ার অবদানস্বরূপ ২০১৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পদার্থের আন্দোলিত অবস্থার দিশা দেওয়ার অবদানস্বরূপ ২০১৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
নিউট্রিনোসমূহের ভরের অস্তিত্ব তাত্ত্বিকভাবে এই আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার নিউট্রিনোসমূহের ভরের অস্তিত্ব তাত্ত্বিকভাবে এই আবিষ্কারের জন্য ২০১৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
জ্বালানি সাশ্রয়ী উজ্জ্বল আলো তৈরিতে সক্ষম নীল এলইডি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৪ সালে পদার্থে নোবেল পুরষ্কার জ্বালানি সাশ্রয়ী উজ্জ্বল আলো তৈরিতে সক্ষম নীল এলইডি উদ্ভাবনের জন্য ২০১৪ সালে পদার্থে নোবেল পুরষ্কার
কোয়ান্টাম সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ও পরিমাপ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল কোয়ান্টাম সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ ও পরিমাপ সংক্রান্ত গবেষণায় ২০১২ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল
২০১১ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন সল পার্লমাটার, অ্যাডাম রিস এবং ব্রায়ান স্মিথ ২০১১ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন সল পার্লমাটার, অ্যাডাম রিস এবং ব্রায়ান স্মিথ
২০১০ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন আঁন্দ্রে গেইম এবং কনস্ট্যানটিন নভোসেলভ ২০১০ সালে পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন আঁন্দ্রে গেইম এবং কনস্ট্যানটিন নভোসেলভ

আর্কাইভ

মহাবিশ্বের প্রারম্ভিক অবস্থার খোঁজেজেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের প্রথম রঙীন ছবি প্রকাশ
ব্ল্যাকহোল থেকে আলোকরশ্মির নির্গমন! পূর্ণতা মিলল আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের
প্রথম চন্দ্রাভিযানের নভোচারী মাইকেল কলিন্স এর জীবনাবসান
মঙ্গলে ইনজেনুইটি’র নতুন সাফল্য
শুক্র গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য নির্দেশকের সন্ধান লাভ
আফ্রিকায় ৫০ বছর পরে নতুনভাবে হস্তিছুঁচোর দেখা মিলল
বামন গ্রহ সেরেসের পৃষ্ঠের উজ্জ্বলতার কারণ লবণাক্ত জল
রাতের আকাশে নিওওয়াইস ধূমকেতুর বর্ণিল ছটা,আবার দেখা মিলবে ৬,৭৬৭ বছর পরে!
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২০
মহাকাশে পদার্পণের নতুন ইতিহাস নাসার দুই নভোচারী নিয়ে স্পেসএক্স রকেটের মহাকাশে যাত্রা